• At vero eos et accusamus iusto odio dignissimos ducimus 
blanditiis praesentium voluptatum deleniti atque corrupti quos 
dolores et quas molestias excepturi sint occaecati 
excepturi
 sint occaecati cupiditate non provident.
  • TopImage
  • TopImage
  • TopImage
  • TopImage
  • TopImage
  • TopImage
 

 
 
  • At vero eos et accusamus iusto odio dignissimos ducimus 
blanditiis praesentium voluptatum deleniti atque corrupti quos 
dolores et quas molestias excepturi sint occaecati 
excepturi
 sint occaecati cupiditate non provident.
  • TopImage
  • TopImage
  • TopImage
  • TopImage
  • TopImage
  • TopImage
 

 
 
  • At vero eos et accusamus iusto odio dignissimos ducimus 
blanditiis praesentium voluptatum deleniti atque corrupti quos 
dolores et quas molestias excepturi sint occaecati 
excepturi
 sint occaecati cupiditate non provident.
  • TopImage
  • TopImage
  • TopImage
  • TopImage
  • TopImage
  • TopImage
 

 
 
  • At vero eos et accusamus iusto odio dignissimos ducimus 
blanditiis praesentium voluptatum deleniti atque corrupti quos 
dolores et quas molestias excepturi sint occaecati 
excepturi
 sint occaecati cupiditate non provident.
  • TopImage
  • TopImage
  • TopImage
  • TopImage
  • TopImage
  • TopImage
 

 

মানবিকতার উদ্যোগে শহরের বিভিন্ন স্থানে অসহায় ও দুঃস্থদের মধ্যে খাবার ও শীত বস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। রামনগর-১০ এর বাসিন্দা শ্রী অতনু ঘোষ উনার জন্মদিন উপলক্ষে, উনার এই শুভদিনে শহরের অভুক্ত দের মাঝে খাবার বিতরণের এই মহান উদ্যোগ নেয়, পাশাপাশি আগরতলা হারাধন সংঘ এর বাসিন্দা শ্রী প্রদীপ কুমার দে, ৪০ প্যাকেট খাবার দান করেন তাঁদের মাঝে বিতরণ করার জন্য। মানবিকতার পক্ষ থেকে ওনাদের অসংখ্য ধ্যন্যবাদ।

Mr Kartik Nama residence of Baikhora, Santirbazar showed his immense kindness. He donated blood to one emergency patient namely Mr Sayan Das(8) residence of Udaipur at GB Hospital. Many many thanx to him for this Humanity. Let us come forward to save someone life. Register your blood group to our website www.manavikata.org or Send your Name and Blood Group to our whatsapp no 7085050209. We will call you only in emergency situation. Pls share this post and help other.

আগরতলা নেতাজি চৌমুহনীর বাসিন্দা শ্রী প্রিয়ম রায় আজ জরুরি অবস্থায় TMC হাসপাতালে ভর্তি অর্কিত দাসগুপ্তকে(৯) রক্ত দিয়ে আবারো মানবতার পরিচয় দিলেন। সংস্থার পক্ষ থেকে অসংখ্য ধন্যবাদ প্রিয়ম ভাইকে যিনি মানবিকতার ডাকে সারা দিয়ে সবসময় অসহায়দের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। আপনারাও যদি জরুরি অবস্থায় রক্ত দানের মাধ্যমে কারোর জীবন বাঁচাতে চান তাহলে আপনার নাম আমাদের ওয়েবসাইট www.manavikata.org তে নথিভুক্ত করুন অথবা আপনার নাম, ব্লাড গ্রুপ, মোবাইল নম্বর ও ঠিকানা আমাদের whatsapp বা SMS করুন 7085050209 নম্বরে। পোস্ট টি ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন।

একটি_মানবিক_আবেদন
উপরের ছবিগুলো রেশমবাগান নিবাসী সায়ন মজুমদার এর। গত ২৫শে ডিসেম্বর,২০১৮ তারিখে বাড়ি ফেরার পথে কাশিপুরের সন্নিকটে ভয়াবহ দূর্ঘটনার শিকার হয়েছে। বর্তমানে সে serious brain injury এর শিকার হয়ে ILS hospital এ‌ চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে। বাবা মৃত। ক্যাটারিং এর কাজে নিযুক্ত থেকে পরিবারের ভরন পোষন করত সে। আর্থিক অসচ্ছলতার জন্য operation এর ব্যয়ভার বহন করতে এখন তার পরিবারের পক্ষে অসম্ভব হয়ে উঠেছে। Doctors দের মতে শীঘ্রই একাধিক operations করতে হবে। উপরে যাবতীয় কিছু prescription এবং hospital এর অন্যান্য report এর photo দেয়া হয়েছে। কোনো সহৃদয় ব্যক্তি আর্থিক সহায়তা প্রদান করতে নিম্নে যোগাযোগ করুন:
Bank Details: State Bank Of India
Account Name: MANAVIKATA
IFSC: SBIN0004544
A/C NO:- 37093679828
Contact: 7085050209
Office: Beltali, AD Nagar, Agartala.
Website: www.manavikata.org

আবারও মানবিকতা সাক্ষী হয়ে রইলো একটি মানবিক কাজের….খেয়ে দেয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে যখন বেস্ততম শহর , তখন ওরা রাতের আঁধারে অলিতে গলিতে ঘুরছে,, ওরা ডাস্টবিন এর পাশে একটু খাবারের আশায়। হয়তবা সঠিক ভাবে চিন্তা করলে আপনিও থমকে দাঁড়াবেন, গায়ে খুব বিচ্ছিরি গন্ধ পোকার বাসা, মানসিক ভারস্যাম্য হারিয়ে নিজের বাড়িথেকে বহিস্কৃত যারা, তাদের আপন বলতে সেই ফুটপাত আর মানুষের দেওয়া সাহানুভূতির খাবার টুকু.. ..চোখে জল না এসে থাকেনা….সাহস করেও কেও এগিয়ে আসেনা তাদের সাহায্য করার জন্য… মানবিকতার সদস্যরা রাত ১০ টায় বেরিয়ে তাদের মধ্যে কয়েকজনকে খাওয়াদাওয়া করিয়ে, শরীরের ময়লা পরিষ্কার করে, চুলকেটে নতুন বস্ত্র পাড়িয়ে দেওয়া হয় এবং কম্বল দেওয়া হয়।।
“ At the end of life we will not be judged by how many diplomas we have received, how much money we have made, how many great things we have done. We will be judged by “I was hungry, and you gave me something to eat, I was naked and you clothed me. I was homeless, and you took me in. Share Plz.
visit: www.facebook.com/manavikata

“No religion is higher than humanity.”
গত ১৩ ডিসেম্বর মানবিকতা সামাজিক সংস্থার উদ্যোগে সোনামুড়া, সোনাপুর, নতুন বাজার স্থিত হিফ্জুল কোরআন মহিলা মাদ্রাসা এর ১২০ জন ছাত্রীদের মধ্যে কম্বল ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানের জন্য আর্থিক ভাবে মানবিকতাকে সহায়তা করেছে আগরতলা ধলেশ্বর নিবাসী উদয়পুর পূর্ত দপ্তরে কর্মরত অভিজিৎ দেবনাথ নামক একজন সহৃদয়বান ইঞ্জিনিয়ার। উনার এই মহৎ কাজের জন্য মাদ্রাসার কর্তৃপক্ষ প্রশংসা ব্যক্ত করেন এবং মাদ্রাসার সকল ছাত্রীরা খুবই আনন্দিত হয়।

Mr Ananta Nag residence of AD Nagar, agartala showed his immense kindness. He donated blood to one emergency patient namely Mr Bidyut Paul at GB Hospital. Many many thanx to him for this Humanity. Let us come forward to save someone life. Register your blood group to us. Send your Name and Blood Group to our whatsapp no 7085050209. We will call you only in emergency situation. Pls share this post and help other.

Where there’s a will, there’s a way……
Meet Padma Shri 2018 recipient for social work, Subhasini Mistry. A one-woman army who worked hard for more than 45 years to build a hospital, called “Humanity Hospital”, for people who can’t afford medical care.
পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনার হংসপুকুর এখন অনেকেই চেনেন। চেনেন সুভাসিনী মিস্ত্রী নামের অতি সাধারণ এক নারীর কারণে। অতি দরিদ্র পরিবারের মেয়ে সুভাসিনীর বিয়ে হয়েছিল এক দিনমজুরের সঙ্গে। সভাসিনীর বয়স তখন ১২। বাধ্য হয়ে বাল্যবিয়ে করা মেয়েটি বিধবাও হয় মাত্র ২৩ বছর বয়সে। প্রায় বিনা চিকিৎসায় মারা যান স্বামী। স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে বেশ কয়েক বছর বাড়ি বাড়ি গিয়ে থালা-বাসন মেজেছেন। তাতে যে আয় হতো তার পুরোটা ব্যায় করেননি, এক পয়সাও হাতে থাকলে তা জমিয়েছেন সুভাসিনী। জমিয়েছেন একটি স্বপ্ন পুরণের জন্য স্বামীর মৃত্যুর পরই যে ভেবেছিলেন, ‘সব গরিবকে আর এভাবে মরতে দেয়া যাবে না, গরিবের জন্য একটা কিছু করতে হবে।’ ওই একটা কিছু করা মানে, একটা হাসপাতাল গড়া। বাড়ি বাড়ি গিয়ে থালাবাসন মেজে, সবচি কেটেকুটে দিয়ে যেটুকু আয় হয় তা থেকে কয় পয়সাই বাঁচে যে হাসপাতাল গড়বেন। আর দশটা সাধারণ মানুষের মতো এমন চিন্তা করলে তার পক্ষে কিছুই করা সম্ভব হতো না। কিন্তু সুভাসিনী, সুভাসিনীর স্বপ্ন, তার প্রতিজ্ঞাটা যে অনন্য সাধারণ গরিবের জন্য হাসপাতাল গড়াই সেই স্বপ্নটাকে কখনো ফিকে হতে দেননি সুভাসিনী।
স্বামীর মৃত্যুর সময় দিনে মাত্র ৫ পয়সা আয় করতেন সুভাসিনী। ঘরভাড়া বাবদ দু’পয়সা দিতেন বাড়িওয়ালাকে, দুপয়সা যেত খাওয়া-দাওয়ায় আর বাকি এক পয়সা জমাতেন। এক সময় শাক-সবজি বিক্রি শুরু করলেন। আয় কিছুটা বাড়লেও বিলাসিতার জন্য কখনো একটা পয়সাও ব্যয় করেননি। এভাবে অল্প অল্প করেই জমে যায় এক লাখ ভারতীয় মুদ্রা। সেই টাকায় হংসপুকুরের এক একর জমি কিনলেন। নিজের মাথা গোঁজার জন্য নয়, গেিবর চিকিৎসার জন্য। বড় ছেলে ততদিনে ¯œাতক হয়েছে। দুই ছেলের লেখাপড়ার খরচ দিতে পারছিলেন না বলে মেজ ছেলে অজয়কে অনাথ আশ্রমে দিয়েছিলেন সুভাসিনী। অজয় ততদিনে ডাক্তার হয়েছে। সুভাসিনী অজয়কেই বললেন, ৪০ বছর ধরে লালন করে আসা স্বপ্নটির কথা। শুরু হলো ছোট্ট একটা কুঁড়ে ঘরে গরিব রোগীদের চিকিৎসা।
অজয়ের ডাক্তার বন্ধুরাও যোগ দিয়েছিলেন বিনা পারিশ্রমিকে গরিবদের চিকিৎসা সেবা দেবার কাজে। প্রথম দিনে বিনা খরচে চিকিৎসা পেয়েছিল ২৫২ জন মানুষ। এতগুলো মানুষকে সার বেঁধে দাড়িয়ে থাকতে দেখে মৃত স্বামীর কথা মনে পড়েছিল, নিজের অজান্তেই কেঁদে ফেলেছিলেন সুভাসিনী মিস্ত্রী। এখন দুঃস্থ রোগীদের মুখে হাসি ফোটান সুভাসিনী। একজন সৎ, নিষ্ঠাবান মানুষের মানবকল্যাণের স্বপ্ন পূরণের সংকল্প এবং প্রয়াস দেখে অনেকেই এগিয়ে এসেছেন। ১৯৯৩ সালের সেই ছোট্ট কুঁড়ে ঘরটি তাই আজ আয়তন এবং খ্যাতিতে অনেক বড়। তিন একর জমির ওপর গড়ে উঠেছে সুভাসিনীর স্বপ্নের সেই হাসপাতাল। ২৩ বছর বয়সে বৈধব্য বরণ করা সুভাসিনী, ঘরে ঘরে গিয়ে থালাবাসন মেজে, পথে পথে শাক-সবজি বিক্রি করে এক পয়সা দু’পয়সা করে জমানো সুভাসিনী তার স্বপ্নের হাসপাতালটির নাম রেখেছেন, হিউম্যানিটি হসপিটাল।

On 13th April 1971 Shri Sadhan Chandra Mistry, aged 35 years a vegetable vendor in the obscure village of Hanspukur, District South 24-Parganas, West Bengal, died of a very common and minor ailment, only because he could not get access to any medical attention whatsoever.
He left behind his illiterate wife Subhasini (23 years then) with two sons and two daughters four to eight years in age. Naturally, the family plunged into utter poverty and Subhasini was forced out of her home within one month of her husband’s death, to sell vegetables in that hamlet market. That day, while she sat under the scorching sun selling vegetables and worrying about her children, she took a vow that one day she will build a hospital in that very village so that no poor villager would die for want of medical attention.
Her fellow vendors and every person who heard of her vow laughed and made fun of her. How can she build a hospital, they jeered, when she cannot even mend her own thatched hut? She had to feed a family of five and marry two daughters. The village elders concluded her vow was all humbug and pure day dreaming out of having lost her mind.
However, day in and out, Subhasini continued selling vegetables silently and looked after her children never allowing the fire in her frail body to douse even for a moment. After persevering for twenty full years, ultimately she could start a clinic at her home for poor people. She managed to coax a doctor into coming to her village every week. And week after week, while tens of poor patients got medical attention from this lone clinic in the region, Subhasini became the most popular household name in her village. Now her fellow vendors and all others started respecting her. That was enough of a support for her.
In the meantime, her children grew up. The two daughters were married off. The eldest son chose to be a labourer in the farm. Her other son, the youngest of the lot, Ajoy Mistry was chosen by Subhasini to carry on her mission. He successfully completed his secondary education and passed the All India Medical Entrance Test. Aided by the German Scholarship, he joined Calcutta Medical College where he completed his medical course. He worked hard as he studied, ran around from friends to well wishers to any person/organization he had access and managed to raise Rs.50,000 for his mothers mission.
In 1993, Ajoy Mistry authored the trust deed of Humanity Trust with his mother Subhasini Mistry as the co-founder trustee. On 5th February 1995, the foundation stone for the Hospital was laid and on 9th March 1996, the Humanity Hospital
was inaugurated and opened to public. The Hospital is a testimony of the will and spirit of a woman who defied social norms and a long series of obstacles to establish the first hospital in her backward village. Within one year, the trust could raise ten times the initial money to complete the first structure of the hospital. Soon, more donations followed and today, Subhasini Mistry can say with pride that she has fulfilled her pledge made to her husband two and half decades earlier.
Humanity Hospital is certified and registered as a Hospital under the West Bengal Clinical Establishment Act. of 1950, managed by Humanity Trust formed on 4th March 1993. In the year 2000, Subhasini Mistry and Ajoy Mistry were honoured and named as the prestigious Paul Harris Fellow by the Rotary International, in appreciation of their service to humanity and poor people in particular. Today, despite the financial crunch to meet recurring expenses, the Hospital provides best services to poor and underprivileged sections of the society.
Subhasini Mistry still sells vegetables in Kolkata market to sustain her family.

মানবিক আবেদন
“বৃদ্ধাআশ্রম নির্মাণে একান্ত সহযোগিতার প্রয়োজন”

গত দুই বছর ধরে মানবিকতা নিরন্তন কাজ করে চলেছে, সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে, আমাদের সেই মহান কাজে আপনারাও হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন, অসংখ্য ধন্যবাদ সেই সকল সহৃদয় ব্যাক্তিদের। আজ মানবিকতার আরো একটা গুরুত্ব পূর্ণ উদেশ্য সকালের কাছে খুলে বলছি “পথের সাথী বৃদ্ধাশ্রম”। অসহায় বৃদ্ধাদের শেষ বয়সের শান্তিনিকেতন গড়ে তুলার নতুন পদক্ষেপ। এই মহান উদেশ্য কখনোই একাহাতে সম্ভব নয়, সকলের কাছে মানবিকতা সাহায্যের জন্য আবেদন করছে, আপনাদের সহযোগিতায় আমরা হয়তো খুব শীগ্রই এই মহান উদ্দেশ্য পূরণ করতে পারবো, ইতিমধ্যে আগরতলা শহরের কাছাকাছি ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয় নিকট বাবুলচৌমুনী এলাকায় আমাদের “পথের সাথী” বৃদ্ধাআশ্রম এর কাজ শুরু হয়ে গেছে। আমাদের সাহায্য করে আবারও সুজুগ করেদিন নিজেদের প্রমান করার জন্য। মানবিকতার একটাই লক্ষ্য সকল অসহায় লোকের পাশে দাঁড়ানো, আর এই উদ্যেশ্য সাফল্যের জন্য আর্থিক সহায়তা (বা ইট, বালি, সিমেন্ট ইত্যাদি) একান্ত প্রয়োজন। আপনারা যতটুকু সম্ভব নিজেদের সাধ্য মতো মানবিকতার Account এ দান করার জন্য আবেদন রইলো। আশা করি পথেরসাথী সেইসকল অসহায় মানুষের শেষজীবনের ভরসা হয়ে দাঁড়াতে পারবে। নিন্মে আমাদের ব্যাঙ্ক ডিটেলস দেওয়া হলো, তাতে আপনারা আমাদের সহযোগিতা করতে পারেন অথবা আমাদের কল করতে পারেন আমাদের ভলান্টিয়ার আপনার অনুদান নিতে আপনার ঠিকানায় পৌঁছে যাবে। সাহায্য করতে না পারলেও আমাদের এই পোস্ট টি শেয়ার করে কোনো সহৃদয়শীল ব্যক্তির কাছে পৌঁছে দেবার জন্য অনুরুধ রইলো। Bank Details: State Bank Of India
Account Name: Manavikata
IFSC: SBIN0004544
A/C NO:- 37093679828
Contact/whatsapp:
Sandip Roy(7085050209)
Sudip Sarkar( 8794757686)
Dr Papiya Sarma( 9402153252)
Office: Beltali, AD Nagar, Agartala.
visit: www.facebook.com/manavikata
www.manavikata.org

FIND US ON MAP

OFFICE ADDRESS

A.D Nagar Road, Beltali,
Opposite Of Ration Shop,
Agartala Tripura West Pin-799003

CONTACT NUMBERS

Sudip Sarkar 8794757686
Sandip Roy 7085050209
Dr. Papiya Sarma 9402153252
Email:  manavikata.ngo@gmail.com